ঢাকা, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন

বিভাজন চাই না, সব রাজনৈতিক দলের ঐক্য ও সমঝোতা অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিভাজন চাই না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সব রাজনৈতিক দল ও জনগণের পারস্পরিক ঐক্য ও রাজনৈতিক সমঝোতা অপরিহার্য।’ তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ভবিষ্যতে যাতে বাংলাদেশে আর কোনোদিন স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বা স্বৈরশাসকের উৎপত্তি হতে না পারে, সেজন্য প্রাতিষ্ঠানিক চেক এন্ড ব্যালেন্স নিশ্চিত করে ঐকমত্য ও সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে হবে- যাতে তা টেকসই হয়।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ ইলেকশন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার স্থায়ী আইনি কাঠামো এবং মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে গণতন্ত্র পাহারা দেয়ার জন্য কার্যকর ওয়াচডগ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’ শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’র মনসুন থিয়েটারে আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ সেমিনার সিরিজের প্রথম পর্ব ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর মহাপরিচালক এহসান মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এ ছাড়া আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ এবং সুপৃম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট বিধান থাকার পরও ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, যা দেশের সাংবিধানিক সংকট ও স্বৈরতন্ত্রের ভিত্তি তৈরি করে।’

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ