ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ন

কঙ্গোতে নৌযান সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৩০

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে দুটি নৌযানের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

স্থানীয় কর্মকর্তারা সোমবার (৫ অক্টোবর) জানান, রবিবার সন্ধ্যায় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইকুয়েটর প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার কাছে রাতে নদীপথে চলাচলের সময় নৌযান দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনায় অন্তত ৩০ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে ইতোমধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।

ইকুয়েটর প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এজেন্স কঙ্গোলেজ প্রেসকে বলেন, ‘দিও সে কাশ’ নামের একটি ধাতব নৌযান রাজধানী কিনশাসা থেকে আসছিল। পথে ‘এইচবি সুপার ভিকতোয়ার’ নামের একটি কাঠের নৌযানের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। ওই নৌযানটি বাসিঙ্গা থেকে আসছিল।

তিনি বলেন, ‘নৌযান দুটির সংঘর্ষের পর প্রায় সব যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়েন। নৌযানটিও ডুবে যায়।’ এমপুতু জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে।

ঠিক কী কারণে নৌযান দুটির সংঘর্ষ হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এমপুতু উল্লেখ করেন, রাতে নৌযান চলাচলের সময় দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানান, কিনশাসা থেকে আসা নৌযানটি অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল।

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা বেশ সাধারণ ঘটনা। রাতের বেলা নৌযান চলাচল এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে প্রায়ই উল্লেখ করা হয়।

দেশটির প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অবকাঠামোর ঘাটতিও নৌদুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। গত কয়েক বছরে এ ধরনের দুর্ঘটনায় দেশটিতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গত জুলাইয়ে কাসাই প্রদেশে রাষ্ট্রীয় পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেরার পথে একটি কাঠের নৌযান ডুবে যায়। ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত হন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ