পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। কোম্পানিটির গত এক বছরে ধারবাহিকভাবে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোম্পানিটির লভ্যাংশে রয়েছে ইতিবাচক প্রভাব। কোম্পানিটির সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ,২০২৬) শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ১২ শতাংশ।
কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন পরযালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি,২৬-মার্চ,২৬) কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২৯ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ২৬ পয়সা। অর্থাৎ বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০৩ পয়সা বা ১২ শতাংশ।
এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকের ৯ মাসে (জুলাই,২৫-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৮৭ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ পয়সা বা ১০ শতাংশ।
দ্বিতীয় প্রান্তিক

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেও কোম্পানিটির ইতিবাচক ইপিএস হয়েছে। অক্টোবর,২৫, থেকে ডিসেম্বর,২৫ পরযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটি ৩৩ পয়সা আয় করেছিল।
এদিকে বছরের ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২৫) কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় আয় ছিল ৬১ পয়সা। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ পয়সা বা ১০ শতাংশ।
প্রথম প্রান্তিক
২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস কিছুটা কমেছিল। কোম্পানিটি (জুলাই,২৫ থেকে সেপ্টেম্বর,২৫) প্রথম প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় করেছছিল ২৬ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির আয় ছিল ২৮ পয়সা।
সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ০৩ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮৬ পয়সা। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ১৭ পয়সা বা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২২ টাকা ৪৩ পয়সা। কোম্পানিটি তালিকাভুক্তির পর থেকে বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিকভাবে লভ্যাংশ দিয়েছে।
২০১৬ সালে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ বোনাস, ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ বোনাস, ২০১৮ সালে ১৫ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ, ২০১৯ সালে ৯ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।
২০২০ সাল থেকে কোম্পানিটি ধারাবাহিকভাবে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে। ২০২০ সালে ৫ শতাংশ নগদ, ২০২১ সালে ৪ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮ শতাংশ ও ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পরযন্ত ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৭৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১টি।
বিজনেস আই/


















