ঢাকা, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

আইসিটির বৈশ্বিক সূচকে অগ্রগতি বাংলাদেশের

করোনার এ সময়েও আইসিটি খাতে অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। আগের বছরের তুলনায় গত বছর ব্রডব্যান্ড, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্ষেত্রে এগিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে সার্বিকভাকে ২০২০ সারে এ খাতে আরও তিন পয়েন্ট যোগ হয়েছে বাংলাদেশের খাতায়।

বৈশ্বিক প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের ‘গ্লোবাল কানেক্টিভিটি ইনডেক্স ২০২০’ শীষক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। ২০১৫ সাল থেকে দেশগুলোতে সরবরাহ, চাহিদা, অভিজ্ঞতা এবং সম্ভাবনা এই চার ক্ষেত্রের ৪০টি সূচকের ভিতিত্তে এই জিসিআই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হুয়াওয়ে।

সম্প্রতিক ৭৯টি দেশের ডিজিটাল ক্ষেত্রে অবকাঠামো ও সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এটি প্রকাশ করা হয়। এতে দেশ এবং শিল্পকে ডিজিটাল রূপান্তর সম্পর্কিত অনুমোদন, দিকনির্দেশনা দেয়া এবং দেশগুলোর ডিজিটাল অগ্রগতি সঠিক মাত্রায় তুলে ধরা হয়েছে।

এতে দেশগুলোকে ফ্রন্টরানার, এডোপটার ও স্টার্টার এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এই তালিকায় স্টার্টার গ্রুপে রয়েছে। গত বছর এই স্টার্টার গ্রুপের দেশগুলোর গড় মোবাইল ব্রডব্যান্ড ব্যবহারের পরিমাণ আড়াইশগুণ বেশি বেড়েছে। তাদের ৪জি সাবস্ক্রিপশন বেড়েছে এবং মোবাইল ব্রডব্যান্ড ২৫ শতাংশ বেশি সাশ্রয়ী হয়েছে।

জিসিআই ২০১৯ প্রতিবেদন অনুযায়ী এই স্টার্টার দেশগুলোর মধ্যে মোবাইল ফিনান্সিয়াল ক্ষেত্রে টপ মুভার হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশ।

জিসিআই ২০২০ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ‘গ্লোবাল কানেক্টিভিটি ইনডেক্স’ বা বৈশ্বিক সূচকে আট পয়েন্ট এগিয়েছে বাংলাদেশ। আর সেই ৪০টি সূচকের মধ্যে গত বছরের তুলনায় ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ, ৪জি সংযোগ বেড়েছে। পাশাপাশি এআই এবং আইওটি ক্ষেত্রে সম্ভাবনার হার বেড়েছে।

গবেষণায় এসেছে, যে দেশগুলো উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটিকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে পারে তারা অপেক্ষাকৃত বেশি সুফল পেয়ে থাকে। এটি সরাসরি মাথাপিছু আয়কে প্রভাবিত করে। যে সব দেশ ডিজিটাল অবকাঠামোর দিকে এগিয়ে আছে সেই দেশুগলো কোভিড সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ