রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এ বিষয়ে বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন কেউ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদই রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।
দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বঙ্গভবনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বাভাবিক নিয়মে ২০২৮ সালের এপ্রিলে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার মেয়াদকাল ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময়। তার দায়িত্ব পালনকালেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকাল এবং সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দেশের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিন জন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েছেন তিনি।



















