পিএসএলের এবারের আসরে খেলছিলেন ৬ বাংলাদেশি। লাহোর কালান্দার্সে ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোস্তাফিজুর রহমান। সাথে পেশোয়ার জালমিতে শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা এবং তানজিদ হাসান তামিম। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিজে ছিলেন রিশাদ হোসেন।
কথা ছিল ওয়ানডে সিরিজ শেষেই পিএসএলে ফিরে যাবেন মোস্তাফিজুর রহমান। তবে তা আর হচ্ছে না। চোটের কারণে পিএসএলের বাকি অংশের জন্য মোস্তাফিজকে দেওয়া এনওসি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পিএসএলের বাকি অংশের জন্য আরেক পেসার নাহিদ রানাকেও এনওসি দিচ্ছে না বিসিবি।
পিএসএলের এবারের আসরে খেলছিলেন ৬ বাংলাদেশি। লাহোর কালান্দার্সে ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন এবং মুস্তাফিজুর রহমান। সাথে পেশোয়ার জালমিতে শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা এবং তানজিদ হাসান তামিম। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিজে ছিলেন রিশাদ হোসেন।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিসিবি জানিয়েছে, তৃতীয় ওয়ানডে শেষে মোস্তাফিজুর রহমানের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য স্ক্যান করানো হবে। স্ক্যান শেষে বিসিবির মেডিকেল দলের অধীনে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করবেন ফিজ। পিএসএলের বাকি অংশের জন্য তাকে দেওয়া এনওসি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নাহিদ রানাকেও আর ছাড়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি। আগামী মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে বিশ্রামে রাখতে রানাকে পিএসএলের বাকি অংশে এনওসি দিচ্ছে না বিসিবি।

বাকি ক্রিকেটারদের মধ্যে পারভেজ হোসেন ইমনের পিএসএল আগেই শেষ। রিশাদের দল রাওয়ালপিন্ডিজের আর পরের রাউন্ডে খেলার সুযোগ নেই। বাকি আছেন কেবল শরিফুল এবং তানজিদ, দুজনের দল পেশোয়ার চলে গেছে প্লে-অফে। তবে দুজন আপাতত খেলবেন টি-টোয়েন্টি সিরিজে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
২ মে শেষ হবে কিউই সিরিজের খেলা, ৩ মে পিএসএলের ফাইনাল। দুজনের পিএসএলে ফেরার সম্ভাবনা তাই বেশ ক্ষীণই বলা যায়।


















