দল ও দলের বাইরে পদত্যাগের চাপ থাকলেও সেই কাজটি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি ক্রমবর্ধমান দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তার সরকার পরিচালনার ম্যান্ডেট বহাল রয়েছে। মন্ত্রিসভাও প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে সমর্থন দিয়েছে।
সম্প্রতি পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সমপর্কের বিষয়টি নতুন করে সামনে আসায় লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তা সত্ত্বেও স্টারমার নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে কেবল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে মনোনিবেশ করতে চান এবং কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের চাপে পিছু হটবেন না। এই রাজনৈতিক সংকটের মুখে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা স্টারমারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
চ্যান্সেলর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকার বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর তাদের গভীর আস্থা রয়েছে। তারা এই পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভদের একটি রাজনৈতিক চাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। মন্ত্রিসভার এই সংহতি স্টারমারকে অভ্যন্তরীণ চাপ সামলে নিতে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের অভিমত, স্টারমারের বিদায় এখন সময়ের অপেক্ষা। এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠে এসেছে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের নাম। রাজনৈতিক জল্পনা সত্যি হলে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত শাবানাই হতে পারেন যুক্তরাজ্যের প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী।

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা মাহমুদ আহমেদ ও জুবেদার সন্তান শাবানার জন্ম বার্মিংহামে। ৪৫ বছর বয়সি শাবানা লেবার পার্টির সদস্য হলেও অভিবাসন নীতিতে তিনি অনেকটাই কট্টরপন্থি।


















