বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপোষহীন এই নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে তিন দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়। এ সময় দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে বাংলাদেশ দূতাবাস, লিসবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনব্যাপী শোকবহি খোলা হয়। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে স্থিরচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।
পর্তুগালে বসবাসরত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা শোকবহিতে স্বাক্ষর করে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কূটনৈতিক পর্যায়ে পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি অব স্টেট (প্রটোকল) ছাড়াও পূর্ব তিমুর, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, কুয়েত, নেপাল, কোরিয়া, ইরান, অ্যাঙ্গোলা, নাইজার, পানামা, পোল্যান্ড, কসোভো, লিবিয়া, ইরাক, ফিলিস্তিন, নরওয়ে, চীন, স্পেন, সৌদি আরব, মাল্টা, তুরস্ক, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে শোকবহিতে স্বাক্ষর করেন। তাঁরা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।



















