রফতানিতে বেশ পিছিয়ে বিশ্বের পঞ্চম চা উৎপাদনকারী দেশ তুরস্ক। তাই চা রফতানি বৃদ্ধিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। রিসেফ ত্যাইয়েফ এরদোয়ান সরকারের উদ্যোগ মহামারির সময়েও দেখছে সফলতার মুখ। করোনা বছরে জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে তুরস্কের চা রফতানি।
সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ইস্টার্ন ব্ল্যাক সি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু নিউজ এজেন্সি।
আনাদোলু উল্লেখ করে, ২০২০ সালের জানুয়ারি-নভেম্বর সময়ে তুরস্ক থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৪ হাজার ১৩৫ টন চা রফতানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি বেড়েছে ১৭ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে চা রফতানি করে তুরস্কের রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ ডলার আয় করেছে। এক বছরের ব্যবধানে পানীয় পণ্যটির রফতানি বাবদ আয়ও ১৭ শতাংশ বেড়েছে।
জানুয়ারি-নভেম্বর সময়ে তুরস্ক থেকে ১০০টির বেশি দেশে চা রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চা রফতানি হয়েছে ইউরোপের দেশ বেলজিয়ামে। চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে বেলজিয়ামের বাজারে চা রফতানি করে সব মিলিয়ে ৪৮ লাখ ডলার আয় করেছে তুরস্ক। বেলজিয়ামের পরে গত ১১ মাসে তুরস্ক থেকে সবচেয়ে বেশি চা রফতানি হয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসে।



















