প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার সবাইকে দিতে চায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই জন্য আইনটি পরিবর্তন করার জন্য কমিটি করে দিয়েছে বিএসইসি। কমিটির প্রথম সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলাপ হয়েছে।
প্রথম সভায় বিএসইসির পরিচালক মনসুর রহমানের সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ডিএসই(৩), সিএসই(৩) ও সিডিবিএলের(২) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাজারে একটি গুজব ছিলো একজন বিনিয়োগকারী একটি বিওতে আবেদন করতে পারবে। যৌথ বা জয়েন্ট বিওতে আবেদন করা যাবে না।
তবে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কমিটির প্রথম সভায় কমিশনকে কয়েকটি বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গেল ও জয়েন্ট উভয় বেনিফিসারি ওনার্স(বিও) হিসাবে আবেদন করা যাবে। তবে আইপিওতে আবেদন করতে হলে পুঁজিবাজারে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে। বিনিয়োগ থাকলেই আইপিওতে আবেদন করতে পারবে। আর ৫ থেকে ২০ হাজার টাকার আবেদন করার প্রস্তাব করবে কিমিটি।
লট ব্যবস্থা বাতিল করে সবার জন্য শেয়ার বরাদ্দের ব্যবস্থা থাকছে।‘ এ পদ্ধতি চালু হলে একটি কোম্পানির আইপিওতে যত জন আবেদন করবেন, তাদের সবার মাঝে শেয়ার সমানভাবে বণ্টন করা হবে।

সভায় ইলেক্ট্রনিক সাবসক্রিপশন সিস্টেম হালনাগাদ, ডিএসই, সিএসই ও সিডিবিএলের প্রযুক্তি উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া আইপিওর চাঁদাগ্রহণ বা সাবস্ক্রিপশন শেয় হওয়ার পর থেকে লেনদেন শুরু হওয়ার মাঝখানের সময়টা কমানোর বিষয়েও কাজ করছে কমিটি।
বর্তমানে সাবস্ক্রিপশনের পর লেনদেন শুরু হতে ৪৫ দিন সময় লাগে, যা ২৫ দিনে নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হবে।


















