পৌষের শুরুতেই তীব্র শীতের দাপটে সারাদেশের জনজীবন বিপর্যস্ত। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে এসেছে, আর রাজধানী ঢাকায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা।
সারাদেশে তীব্র শীতের প্রভাব
গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঈশ্বরদী, দিনাজপুর, যশোরসহ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। ঢাকায় তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি হলেও ঘন কুয়াশা ও বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারিতে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা বেশি।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে তিন থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিপাত কম হবে।
শীতের প্রকোপে দুর্ভোগ
তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ছিন্নমূল ও দিনমজুরদের দিন কাটছে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টায়। কাজে যেতে না পারায় তারা পড়েছেন চরম আর্থিক সংকটে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা আরও কমে গেলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। এ অবস্থায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


















