ক্রিকেটের মাঠে গেল সপ্তাহটি ছিল অধিনায়কদের জন্য রেকর্ড গড়ার মঞ্চ। দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাভুমা, অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, এবং বাংলাদেশের মেহেদি হাসান মিরাজ নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে আলো ছড়িয়েছেন। তবে ভারতের রোহিত শর্মার জন্য সময়টা ছিল বিব্রতকর, কারণ তিনি দেখেছেন পারফরম্যান্সে অবনতি এবং রেকর্ড বইয়ে লজ্জার সংযোজন।
বাভুমার ব্যাটে ইতিহাস
দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ইতিহাসের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রতিটি ইনিংসে ফিফটি করেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তিনি ১২ ইনিংসে ৬৩২ রান করেছেন, গড় ৫৭.৪৫। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে গড়ের শীর্ষ ছয়ে নিয়ে এসেছে।
কামিন্সের বল হাতে নতুন উচ্চতা
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন। অ্যাডিলেডে ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে তার উইকেট সংখ্যা ১১৫-তে নিয়ে গেছেন। সবচেয়ে বেশি ফাইফারের তালিকায় তিনি পাকিস্তানের ইমরান খানের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন, দুজনেই ৬টি ফাইফার অর্জন করেছেন।
মিরাজের ক্যারিবিয়ান শো
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে মেহেদি হাসান মিরাজ করেছেন ৭৪ রান, যা বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিবিয়ান ভূমিতে সর্বোচ্চ স্কোর। তার এই ইনিংস বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সংযোজন।
রোহিতের বিপরীত চিত্র
ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মার জন্য গেল সপ্তাহটি হতাশাজনক ছিল। অ্যাডিলেডে টেস্টে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়ে তিনি কমপক্ষে ১ হাজার রান করা ভারতীয় অধিনায়কদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন গড়ের রেকর্ড গড়েছেন (৩২.৪২)। এছাড়া চলতি বছরে ১৪ বার একক অঙ্কে আউট হয়েছেন, যা তার পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় বড় প্রশ্ন তুলেছে।

অধিনায়কদের জন্য উজ্জ্বল এবং ম্লান অধ্যায়
ক্রিকেট মাঠে গেল সপ্তাহটি অধিনায়কদের রেকর্ড ভাঙা-গড়ার সাক্ষী। কেউ হয়েছেন দলের নায়ক, আবার কেউ পেয়েছেন হতাশার স্বাদ। তবে এটি নিশ্চিত যে অধিনায়কদের পারফরম্যান্স দলকে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাতে বড় ভূমিকা রাখে।


















