যুক্তরাজ্য ৪ কোটি ডোজ টিকার অর্ডার করেছে, যা ২ কোটি লোকের জন্য যথেষ্ট
ফাইজার ও বায়োএনটেক করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের প্রথম চালান যুক্তরাজ্যে পৌঁছে গেছে।
বিবিসি জানায়, বৃহস্পতিবার অজ্ঞাত স্থানে চালানটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্তরাজ্যের হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে বিতরণ করা হবে।
যুক্তরাজ্য ৪ কোটি ডোজ টিকার অর্ডার করেছে, যা ২ কোটি লোকের জন্য যথেষ্ট।
দেশটির ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার বলেন, প্রথম ধাপের ভ্যাকসিনগুলো করোনায় হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার ৯৯ ভাগ পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে পারবে।

যত দ্রুত সম্ভব টিকা রোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে কেয়ার হোমে থাকা ৮০ ঊর্ধ্ব বয়সী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।
ফাইজার ও বায়োএনটেকের টিকাগুলো তৈরি হয়েছে বেলজিয়াম, ইউরো টানেলের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছে।
কয়েক দিন আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, বুধবার সকাল সাতটার কিছু পরে মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রোডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সি (এমএইচআরএ) থেকে ভ্যাকসিন অনুমোদনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরামর্শ গ্রহণ করেছে সরকার। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, ফাইজারের টিকা নিরাপত্তার কঠিন সব শর্ত অনুসরণ করেছে।’
তখন ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক টুইটে বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে। এমএইচআরএ আনুষ্ঠানিকভাবে ফাইজার/বায়োএনটেকের টিকা অনুমোদন দিয়েছে।’
‘যুক্তরাজ্য বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য ক্লিনিক্যাল অনুমোদন পেল।’
এর আগে রাশিয়া ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিলেও সেটি মানেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ। কারণ ওই সময় রাশিয়ান টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ফলাফল জানা ছিল না।
ফাইজার সম্প্রতি তাদের তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটির দাবি, ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর।
এখনও পর্যন্ত ছয়টি দেশে ৪৩ হাজার ৫০০ জনের শরীরে ফাইজার ও বায়োএনটেক টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং এতে ঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া যায়নি।


















