ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১:৪৫ পূর্বাহ্ন

২০৩৪ সালের মধ্যে স্ট্রিমিং, গেমিং ও ডিজিটাল কনটেন্ট বাজার ছাড়াবে ৩৩ হাজার কোটি ডলার

প্রযুক্তির অগ্রগতি ও ইন্টারনেটের ব্যাপক বিস্তারের ফলে গত কয়েক দশকে মানুষের বিনোদন অভিজ্ঞতা ও গ্রহণের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ঐতিহ্যবাহী মিডিয়া থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরিত হওয়ায় কনটেন্ট নির্মাতা ও ভোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অনলাইনভিত্তিক বিনোদন, যেমন স্ট্রিমিং পরিষেবা, ভিডিও গেম ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা ক্রমবর্ধমান।

বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থা প্রেসিডেন্স রিসার্চের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে অনলাইন বিনোদন বাজারের মূল্য দাঁড়াবে ১০ হাজার ১৮২ কোটি ডলার, যা ২০৩৪ সালের মধ্যে বেড়ে ৩৩ হাজার ৮৯৬ কোটি ডলারে পৌঁছাবে। এ সময়কালে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

২০২৩ সালে এ বাজারের সবচেয়ে বড় অংশীদার ছিল উত্তর আমেরিকা, যা বিশ্বব্যাপী ৪৬ শতাংশ অবদান রেখেছে। এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো প্রযুক্তি দ্রুত গ্রহণ করায় বিনোদন শিল্পের প্রবৃদ্ধি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম মিডিয়া ও বিনোদন শিল্প হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে নেটফ্লিক্স, ডিজনি প্লাস, ইউটিউবের মতো বড় বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সদর দপ্তর। প্রেসিডেন্সের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে ইউরোপেও অনলাইন বিনোদন বাজারের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে অনলাইন বিনোদন বাজারের সবচেয়ে বড় অংশ ছিল ভিডিও বিভাগ। ভবিষ্যতে অডিও বিভাগেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া স্মার্টফোনের পাশাপাশি স্মার্ট টিভি, প্রজেক্টর ও মনিটর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বাজারের প্রধান আয়ের উৎস বিজ্ঞাপন হলেও, সামনের বছরগুলোয় সাবস্ক্রিপশন মডেল ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

প্রেসিডেন্স রিসার্চের মতে, অগমেন্টেড রিয়ালিটি (এআর), ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) এবং মিক্সড রিয়ালিটি (এমআর) প্রযুক্তি অনলাইন বিনোদন বাজারে পরিবর্তনের নতুন ধারা সৃষ্টি করছে, যা আগামীতে এ খাতের প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ