ঢাকা, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ন

কিউআর কোড স্ক্যানের আগে নিশ্চিত করতে হবে নিরাপত্তা

কুইক রেসপন্স কোড বা কিউআর কোড এক ধরনের বারকোড, যার ভেতরে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকে। স্মার্টফোন বা কিউআর কোড রিডারের মাধ্যমে স্ক্যান করে এ তথ্যগুলো দেখা যায়। যেমন রেস্তোরাঁর মেনু ও ফোন নম্বর দেখা, ওয়াই-ফাই কানেক্ট কিংবা অ্যাকাউন্ট লগইন করাসহ নানা কাজে বিভিন্ন স্থানে এখন ব্যাপকভাবে কিউআর কোড ব্যবহার হয়। এগুলো সহজে তথ্য প্রদান করে এবং খুব বেশি জায়গা নেয় না, তবে অনেকেই কোড স্ক্যান করার সময় খুব একটা সতর্ক থাকেন না। কিউআর কোডগুলোও নকল করা যায়, যা ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। তাই কোড স্ক্যান করার সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। যেমন-

কোড ভালোভাবে লক্ষ করা

দেখুন কোনো স্টিকার পুরনো কিউআর কোডের ওপর লাগানো হয়েছে কিনা, যা প্রায়ই প্রতারণার ক্ষেত্রে হয়। প্রতারকরা স্টিকার ব্যবহার করে আসল কোডের ওপর তাদের নকল কোড লাগাতে পারে। যদি কিউআর কোডটি প্রিন্ট করে কোনো পৃষ্ঠায় লাগানো মনে হয়, তাহলে সতর্ক থাকুন। এছাড়া সহজে পৌঁছানো যায় এমন স্থান, যেমন পার্কিং লট বা ব্যস্ত রেস্তোরাঁয় বেশি মনোযোগ দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এ ধরনের জায়গায় প্রতারণার সুযোগ থাকে।

সোর্স নিশ্চিত করা

যদি কোনো রেস্তোরাঁ বা দোকানে কিউআর কোড দেখে মনে হয় এটি নকল, তবে কর্মীদের জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত হতে হবে। আবার অনলাইনের ক্ষেত্রে কিউআর কোডের মাধ্যমে হ্যাকাররা নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে বা ফিশিং ই-মেইল পাঠাতে পারে। আর তাই কিউআর কোডের সোর্স যেমন প্রেরকের ই-মেইল বা ওয়েবসাইট পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি ভুল বা অস্বাভাবিক মনে হয়, তবে কোডটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া যদি ব্র্যান্ডিংয়ে ব্যাকরণগত ভুল ও বানান ভুলে চোখে পড়ে, তাহলে কিউআর কোডটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়া হয়। এসব লক্ষণ স্ক্যামের অংশ হতে পারে।

ইউআরএল পরীক্ষা করা

এছাড়া নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ইউআরএল পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত ব্যবসাগুলো সাধারণত তাদের ব্র্যান্ডের নামের সঙ্গে মিল রেখেই ডোমেইন নাম ব্যবহার করে। যদি ইউআরএল অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে ক্লিক না করাই ভালো। প্রয়োজনে লিংকটি নিরাপদ কিনা তা পরীক্ষার জন্য অনলাইন টুল ব্যবহার করা উচিত। মেক ইউজ অব অবলম্বনে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ