সময়মতো যথাযথ অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের নামে জনগণের কোনো প্রকার দুর্ভোগ সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। আন্দোলনের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো প্রকার অবমাননা আমরা বেঁচে থাকতে হতে দেবো না।
তিনি আরও বলেন, ধৈর্য্য ধরা মানে দুর্বলতা না। আজ আমরা জোর করে চড়াও হলে আপনারা কি প্রশ্ন করতেন? সময় মতো সব কিছু দেখবেন। সময়মতো যথাযথ অ্যাকশন নেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পত্র পত্রিকায় আমরা যা দেখতে পেলাম, তাতে মনে হয়, ছাত্রলীগের ওপর সব ব্যাপারে দোষ চাপানো ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে৷ তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের ৫০০ জন আহত হয়েছে৷ ২০০ জনের অবস্থা খারাপ।

২০১৮ সালের কিছু গুজব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরণের গুজব ছড়িয়ে গণঅভ্যুথান ঘটনোর বৃথা চেষ্টা চলছে। কাদের বলেন, আমরা গতকালের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।
ম্যাথিউ মিলারের বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন, তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। তারা অন্য দেশ সম্পর্কে, অন্য দেশের গণতন্ত্র সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারাটা দেখে নিতে পারে না।
আন্দোলনকারীদের ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে কাদের আরও বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানাচ্ছি। যারা এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের আভাস পাচ্ছেন, তাদের এই দিবাস্বপ্ন কর্পূরের মতো অচিরেই উড়ে যাবে।
এই আন্দোলনে ‘জনগণের সম্পৃক্ততা নেই’ বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, মাহবুবউল আলম হানিফ; সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসেন; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ইকবাল হোসেন অপুসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


















