যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর বুধবার চাঙা ছিল দেশটির শেয়ারবাজার। তবে পরদিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ওয়াল স্ট্রিটের শেয়ার ফিউচারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে।
সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার ০.৩ শতাংশ এবং নাসডাক-১০০ ফিউচার ১.১৭ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে ডাও জোন্স ফিউচার বেড়েছে ১৪১ পয়েন্ট বা ০.২৬ শতাংশ।
এর আগে বুধবার ডাও জোন্স সূচক ৩ শতাংশ বা ১ হাজার ৫০০ পয়েন্টের বেশি বেড়েছে, যা ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এক দিনে সর্বোচ্চ উত্থান। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকও বেড়েছে ১.৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম কমা এবং নির্বাচনের ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা কমে আসায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। বুধবার ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮.১২ ডলারে নেমে আসে।
এদিকে কোয়ালকমের আয় পূর্বাভাস ছাড়ালেও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৬.৫ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে অ্যাপলোভিনের শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ।
এশিয়ার বাজারেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ ও টপিক্স সূচক যথাক্রমে ০.৪৯ শতাংশ এবং ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি কমেছে ২.৩৩ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ার এসঅ্যান্ডপি/এএসএক্স ২০০ বেড়েছে ১.৩৯ শতাংশ।
বিনিয়োগ বিশ্লেষক জর্ডান ওয়াটসনের মতে, বাজারের সাম্প্রতিক উত্থান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাত থেকে বিনিয়োগ সরে যাওয়ার প্রবণতা সাময়িক হতে পারে। তবে নির্বাচনের ফল ও সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তন ঘিরে বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।