নিজস্ব প্রতিবেদক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সর্বশেষ আর্থিক বিবরণীতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির টার্নওভার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১৯৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে গ্রস প্রফিট ২৯ কোটি ৫ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং পরিচালন মুনাফা ১৫ কোটি ৩০ লাখ থেকে বেড়ে ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মুনাফার ক্ষেত্রেও উন্নতির ধারাবাহিকতা দেখা গেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ৮৬ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, কোম্পানিটির গ্রস প্রফিট মার্জিন ১৭ দশমিক ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়েছে এবং নিট প্রফিট মার্জিনও ৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ৪ দশমিক ১২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য শেয়ারপ্রতি ১ টাকা বা ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
কোম্পানির প্রকাশিত অর্ধবার্ষিক আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে টার্নওভার প্রায় ১১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা প্রায় ৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা হয়েছে; একই সময়ে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৭ পয়সায়, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬১ পয়সা।
সব মিলিয়ে, আয় বৃদ্ধি, মুনাফা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইপিএস ও মুনাফার মার্জিনে উন্নতি সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবসার সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পুঁজি বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির ঋণ, নগদ প্রবাহ, ভবিষ্যৎ মুনাফা এবং বর্তমান শেয়ারদরের মূল্যায়নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন পুঁজি বাজার সংশ্লিষ্টরা।