বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা প্রায় ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নথি এবং কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ভিসা বাতিলের ঘটনা।
এপি জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে পররাষ্ট্র দপ্তর। এ ক্ষেত্রে তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দেয়া তথাকথিত বি-১ ও বি-২ ভিসাধারীদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেসব ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয় চাচ্ছেন, তাদের ভিসা বাতিল করা হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, আমরা ডিএইচএসের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের শনাক্ত করছি ও তাদের অ-অভিবাসী ভিসা বাতিল করছি, যারা স্বল্পমেয়াদি সফরের কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন, কিন্তু পরে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।
তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে রাজি হননি পিগট। তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি চলমান থাকায় এখনই চূড়ান্ত সংখ্যা বলা সম্ভব নয়।
এপির উদ্ধৃত কর্মকর্তারা জানান, ভিসা বাতিল হলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে না। বরং যাদের আশ্রয়ের আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, তাদের বেশিরভাগকে অন্য একটি অভিবাসন শ্রেণিতে নেওয়া হবে। অর্থাৎ, তাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় ব্যবসা বা পর্যটন ভিসাধারী হিসেবে তাদের মর্যাদা আর থাকবে না।