গত বছরের ২১ এপ্রিল বিসিবির চুক্তি থেকে সরে যেতে পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। তার এক বছর পর চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে পদত্যাগপত্র কার্যকর করা হয়েছে। তাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে চুক্তির আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘটল।
বছরখানিক আগে পদত্যাগ করলেও সৈকত নিজেও নতুন বিসিবির চুক্তিভিত্তিক কাঠামোয় থাকতে আগ্রহী নন বলে জানিয়েছিলেন। তবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং চালিয়ে যেতে চান।
আইসিসির এলিট প্যানেলের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের এই আম্পায়ার। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নানা অনিয়মের কারণে বিসিবির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।
২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল মোহামেডানের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কমানোর প্রতিবাদে বিসিবির চুক্তি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সৈকত। তবে বোর্ড সে সময় তার আবেদন গ্রহণ করেনি। পদত্যাগপত্র কার্যকর না হওয়ায় আগের মতোই চুক্তির আওতায় থেকে দায়িত্ব পালন ও বেতন-ভাতা পাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত এক বছর পর সেই পদত্যাগ কার্যকর করা হয়েছে।