এবারের আগে নরওয়ে বিশ্বকাপই খেলেছে মোটে ৩ বার। তাদের সবশেষ নকআউটে খেলার নজির দেখা গিয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। এরপর থেকে দলটা বিশ্বকাপেই খেলতে পারেনি, নকআউটে যাবে কী করে! তবে এবার যখন বিশ্বকাপে খেলার আক্ষেপ ঘুচল, তখন তার হাত ধরে নকআউটও চলে এল। সে কাজটা সারলেন আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলে ভর করে সেনেগালকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে নরওয়ে। আর তাতেই দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে নকআউট নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের।
তবে হালান্ড থামলেন না। বের্গের ক্রস থেকে বাম পাশে বল পেয়ে আবার গোল করলেন তিনি। নরওয়ে আবার ফিরে পেল দুই গোলের লিড। স্কোর হলো ৩-১।
শেষ পর্যন্ত হাল ছাড়েনি সেনেগাল। যোগ করা সময়ে বক্সের ভেতর থেকে আবারও গোল করলেন ইসমাইলা সার। স্কোর হলো ৩-২। পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন জেগে উঠল সেনেগালের শিবিরে। তবে শেষ রক্ষা আর হলো না। সময় ফুরিয়ে গেল তাদের।
উল্লেখ্য, প্রথমার্ধে একবার হালান্ডকে থামিয়েছিলেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্দি। ৩৫ মিনিটে হালান্ডের জোরালো শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় রুখে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হালান্ডকে আর আটকানো গেল না।
এই জয়ে গ্রুপ আই-তে শক্ত অবস্থানে উঠে এল নরওয়ে। আগের ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল তারা। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটের টিকিট পাকা করল হালান্ডের দল।