সাধারণ ব্যাংকিং ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও ঝুঁকিমুক্ত করতে রাজশাহীতে আউটরিচ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে এনআরবিসি ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্স ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরটিডিসি)। গত ৪, ৫ ও ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে যথাক্রমে ‘জেনারেল ব্যাংকিং অপারেশন অ্যান্ড এনআই অ্যাক্ট’, “মাইক্রোফাইন্যান্স ক্রেডিট অপারেশন ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট” এবং ‘এড্রেসিং চ্যালেঞ্জেস ইন ব্যাংকিং অপারেশন ফর অ্যাচিভিং সার্ভিস এক্সিলেন্স’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ ৩টির আয়োজান করা হয়। প্রশিক্ষনে এইচআরটিডিসির প্রধান এসইভিপি মিসেস ফাহমিদা চৌধুরী, চিফ লিগ্যাল অফিসার (সিএলও) ও এসভিপি শেখ তারেক নেওয়াজ, এসএমই বিজনেস বিভাগের প্রধান ও ভিপি মো. রমজান আলী ভূইঁয়া, রাজশাহী জোনের প্রধান ও এসভিপি অসীম কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে রাজশাহী জোনের শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে জেনারেল ব্যাংকিং অপারেশন কার্যক্রম, ঋণ আদায়সহ বিভিন্ন প্রেক্ষিতে আইনগত পদক্ষেপ, এসএমই ও মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে ঋণ বিতরণ, তদারকি, আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহক মূল্যায়ন, কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল, ব্যাংকিং আইনকানুন ও নীতি-নৈতিকতার প্রয়োজনীতা ও চর্চাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এইচআরটিডিসির প্রধান মিসেস ফাহমিদা চৌধুরী বলেন, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। ব্যাংকের সকল কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষে ও বিভিন্ন অঞ্চলের প্রয়োজনীয়তা সরাসরি পূরণের লক্ষ্যে এ ধরনের আউটরিচ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।
চিফ লিগ্যাল অফিসার শেখ তারেক নেওয়াজ বলেন, ঋণগ্রহীতার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই, যথাযথ ডকুমেন্টেশন, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদারকরণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করতে নির্ধারিত ব্যাংকিং পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। খেলাপি ঋণ কমাতে ঋণ আদায় বৃদ্ধির লক্ষে আইনগুলো সম্পর্কে অবগত থাকা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া তার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। মামলা দায়ের ও পরিচলনার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি।
এসএমই বিজনেস বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূইঁয়া বলেন, সকল মানুষের জন্য ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্ভূক্তিমূলক ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিকল্প নেই। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গ্রাহক বাছাই, ঋণ প্রদান, তদারকি ও আদায় কার্যক্রম যথাযথভাবে করতে হবে।