যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশে ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) ইরানের পক্ষ থেকে এ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হামলার কিছুক্ষণ আগেই এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রায় চূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন আর মধ্যপ্রাচ্যের ‘দাপুটে’ শক্তি নয় এবং তারা যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজছে। তবে ট্রাম্পের এই বিজয়বার্তার পরপরই ইসরায়েলের আকাশসীমায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি তার দাবিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, তারা ইরানের এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করেছে এবং তা প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সক্রিয় রয়েছে। তেল আবিবসহ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজানো হয়েছে। আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে। একদিকে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের ভেতরে কয়েকশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দাবি করছে, অন্যদিকে ইরানও নিয়মিত বিরতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করছে। আজকের এই হামলাটি এমন এক সময়ে হলো যখন ইসরায়েলে পবিত্র ‘পাসওভার’ উৎসবের প্রস্তুতি চলছে।



















