যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের অংশ হিসেবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘আরিফজান’-এ নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে এই আক্রমণকে তাদের চলমান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ২৭তম ধাপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ইরানের দাবি, তাদের এই হামলাগুলো পূর্বপরিকল্পিত এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে আইআরজিসি-র বরাত দিয়ে জানানো হয়, কুয়েতের আরিফজান এলাকায় অবস্থিত মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয় বা হেডকোয়ার্টার লক্ষ্য করে নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি বলছে, তাদের বিশেষায়িত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে। তবে এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের বিষয়ে ওয়াশিংটন বা কুয়েত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
ইরান এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত, আত্মসমর্পণের কেউ থাকবে নাইরান এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত, আত্মসমর্পণের কেউ থাকবে না
কেবল কুয়েত নয়, দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধেও ইরান তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার জবাবে ইরান এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ শুরু করে। এর আগে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কমান্ড সেন্টার এবং দুবাইয়ের বিভিন্ন স্থাপনাতেও হামলার দাবি করেছিল আইআরজিসি। তেহরানের দাবি, গত কয়েকদিনের যুদ্ধে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে কয়েকশ সেনার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
আইআরজিসি-র জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগ্রাসী শক্তিগুলোকে শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত তাদের এই অভিযান দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে। তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের উন্নত সমরশক্তি ব্যবহারের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে