ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

কমিউনিটি ব্যাংক ও ‘আমরা নারী’র ক্যান্সার সচেতনতা সেমিনার

বিশ্ব ক্যান্সার দিবস (৪ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চা জোরদারের লক্ষ্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিলসি এবং আমরা নারী-এর যৌথ উদ্যোগে ক্যান্সার ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এ সেমিনারে ব্যাংকের হেড অফিস ও ঢাকার বিভিন্ন ব্রাঞ্চের নারী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন The Directorate General of Health Services (ডিজিএইচএস) এর সহকারী অধ্যাপক, ডা. মোঃ খাদেমুল বাশার এবং The National Institute of Cancer Research and Hospital (এনআইসিআরএইচ) সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বুশরা নূর আল চৌধুরী।

ডা. মোঃ খাদেমুল বাশার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘ক্যান্সার এখন আর কেবল চিকিৎসাবিষয়ক সমস্যা নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সচেতন জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব।’’

ডা. বুশরা নূর আল চৌধুরী বলেন, ‘‘রক্তরোগ ও ক্যান্সারসংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে রোগীর জীবন রক্ষা করা যায়। তাই কোনো লক্ষণকে অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতা ও নিয়মিত স্ক্রিনিং-ই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা।’’

সেমিনারে কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হেড অব সিআরএম হাসি রানী বেপারী এবং কমিউনিটি ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এইচ এম মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে ‘‘আমরা নারী’’ -এর প্রতিষ্ঠাতা এম এম জাহিদুর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘‘আমরা নারী’’ একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক সংগঠন। নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক কল্যাণ এবং মানবিক উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারে ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তি, সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং জীবনযাপনজনিত ঝুঁকিপূর্ণ কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আয়োজকেরা জানান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই; ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বিজনেস আই/এসডি

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ