ঢাকা, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

৬ মাসে ওষুধ খাতে ইপিএস বেড়েছে ১৫ কোম্পানির  

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ-রসায়ন খাতের ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টি কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ১৫ কোম্পানির।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় কমেছে ৪ কোম্পানির। অন্যদিকে লোকসান করেছে ৬ কোম্পানির। আর লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে ২টি কোম্পানি।

কোম্পানিগুলোর জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৫ দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পরযালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় বেড়ে যাওয়া কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- একমি ল্যাবরেটরিজ, এমবি ফার্মা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিকন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা, ইবনে সিনা, কোহিনুর কেমিক্যাল, নাভানা ফার্মা,ওরিয়ন ইনফিউশন, ফার্মা এইড, রেকিট বেনকিজার, রেনাটা, স্যালভো কেমিক্যাল, স্কয়ার ফার্মা ও ওয়াটা কেমিক্যাল লিমিটেড।

একমি ল্যাবরেটরিজ

বছরের ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৪) একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  ৬ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৫ টাকা ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৬৪ পয়সা বা ১২ শতাংশ।

এমবি ফার্মা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এমবি ফার্মার শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে  দশমিক ৫৪ পয়সা বা ৪১  শতাংশ।

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ০.৯৬ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে   ১ টাকা ৬২  পয়সা বা ১৬৮.৭৫ শতাংশ।

বিকন ফার্মা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৩ টাকা ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে   ১ টাকা ২৬  পয়সা বা ৩৬ শতাংশ।

বেক্সিমকো ফার্মা

আলোচ্য সময়ে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৮৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১৮ পয়সা বা ১৮ শতাংশ।

ইবনে সিনা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালসের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৯ টাকা  ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৫ টাকা ৮  পয়সা বা ৬১ শতাংশ।

কোহিনুর কেমিক্যাল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৬ টাকা ২৫ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে  ১ টাকা ৮৫ পয়সা বা ২৯.৬০ শতাংশ।

নাভানা ফার্মা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩.৩৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা বা ৪৮ শতাংশ।

ওরিয়ন ইনফিউশন

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ০৩ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে  দশমিক ১২ পয়সা বা ১১  শতাংশ।

ফার্মা এইড

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ০৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১১ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২ টাকা ৭৭ পয়সা বা ২৪ শতাংশ।

রেকিট বেনকিজার

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১১৪ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১০৫ টাকা ৩৫ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৯ টাকা ০৩ পয়সা বা ৮ শতাংশ।

রেনাটা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৩ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১০ টাকা ৮৩ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২  টাকা ৭৫  পয়সা বা ২৫ শতাংশ।

স্যালভো কেমিক্যাল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  দশমিক ২৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল  দশমিক ২২  পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ পয়সা বা ১৩ শতাংশ।

স্কয়ার ফার্মা

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  ১৬ টাকা ৫৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১৪ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে  ২ টাকা  ২৪ পয়সা বা ১৫ শতাংশ।

ওয়াটা কেমিক্যাল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  দশমিক ৮০  পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল  দশমিক ৪২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে   দশমিক ৩৮ পয়সা বা ৯০ শতাংশ।

এছাড়া বছরের ৬ মাসে আয় কমেছে এসিআই ফরমুলেশনস, এডভেন্ট ফার্মা, জেএমআই হসপিটাল ও টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের।

বিজনেস আই/

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ