সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আজ থেকে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠানে টানা চার দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। এই ছুটি চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফলে সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটানা চার দিনের অবকাশ পাচ্ছেন।
একই সঙ্গে নির্বাচন ও ধর্মীয় ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘোষণা করা হয়েছে টানা ৫ দিনের ছুটি। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে ছুটি থাকায় মোট ছুটির মেয়াদ পাঁচ দিনে দাঁড়িয়েছে।
আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ভোট গ্রহণ নির্বিঘ্ন করতে ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি কার্যকর করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নির্বাহী আদেশে ছুটি বহাল থাকবে। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও কার্যকর থাকবে।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা আরেকটি প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, ভোটের সময় শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটি প্রয়োজনে পরবর্তীতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে সমন্বয় বা বদল করা যাবে।