ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ন

অর্ধবার্ষিকীতে জ্বালানি খাতের ১০ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ২০টি কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ১০ কোম্পানির।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় কমেছে ৫ কোম্পানির। অন্যদিকে লোকসান বেড়েছে ৩ কোম্পানির। আর লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে ২ কোম্পানি।

কোম্পানিগুলোর জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৫ দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পরযালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় বেড়ে যাওয়া কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- বারাকা পাওয়ার, সিভিও পেট্রোল অ্যান্ড রিফাইনারি, ডরিন পাওয়ার, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, জিবিবি পাওয়ার, খুলনা পাওয়ার,মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল, পাওয়ার গ্রীড ও শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি।

বারাকা পাওয়ার

বছরের ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০২৪) বারাকা পাওয়ারের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল  ০.০৪ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৭ পয়সা বা ১৭৫ শতাংশ।

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সিভিও’র শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.২৪ পয়সা বা  ১৩০ শতাংশ।

ডরিন পাওয়ার

আলোচ্য সময়ে ডরিন পাওয়ারের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ০৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ২ টাকা ০১ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ০৪ পয়সা বা ৫২ শতাংশ।

ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৯ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১৭ টাকা ৫৯ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ৯৪  পয়সা বা ১১ শতাংশ।

জিবিবি পাওয়ার

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০.০৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ০.০৬ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০১ পয়সা বা ১৭ শতাংশ।

কেপিসিএল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০.৫১পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ০.০৮ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৪৩ পয়সা বা ৫৩৭  শতাংশ।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৮ টাকা ৫৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ২৭ টাকা ৮২ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৭৭ পয়সা বা  ৩ শতাংশ।

পদ্মা অয়েল

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩০ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ২৫ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৫টাকা ১৪ পয়সা বা ২০  শতাংশ।

পাওয়ার গ্রীড

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৩ টাকা ৬৭ পয়সা বা ২৩৬ শতাংশ।

শাহজিবাজার পাওয়ার

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা  ৫১ পয়সা বা ৯৯ শতাংশ।

বিজনেস আই/

 

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ