ইরানকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ফোনে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)-এর সঙ্গে কথা বলে সতর্ক করেছেন—ইরানে হামলা হলে গোটা অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
জবাবে সৌদি যুবরাজ আশ্বস্ত করে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন বা উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্যোগ রিয়াদ সমর্থন করে না। সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ সমাধান ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষেও অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ইরানের কড়া বার্তা
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে “বাতাস” বইলে জবাবে তারা “ঘূর্ণিঝড়” তুলবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বন্ধু আখ্যা দিলেও সতর্ক করেছে—কারও ভূখণ্ড, আকাশ বা জলসীমা ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার হলে তা শত্রুতার শামিল হবে।
উপসাগরীয় অবস্থান
খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—উভয় দেশই ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে নিজেদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেবে না বলে জানিয়েছে।
মার্কিন চাপ ও সামরিক উপস্থিতি
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প অঞ্চলটিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কথা বলেছেন এবং ইরানকে চুক্তিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এখনো আলোচনা খোলা রাখলেও সামরিক বিকল্পও বাতিল করেনি।
সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভুল পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে নতুন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।