প্রশাসনে আট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে এ রদবদল করা হয়েছে। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
জারি করা আদেশে বরগুনার পাথরঘাটার ইউএনও ইসরাত জাহানকে ভোলার চরফ্যাশনে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ইউএনও মো. আল-আমীনকে ফরিদপুরের নগরকান্দায়, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার ইউএনও রেহেনা আক্তারকে বগুড়ার ধুনটে, হবিগঞ্জের বাহুবলের ইউএনও লিটন চন্দ্র দে-কে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইউএনও হিসাবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া বগুড়ার ধুনটের ইউএনও প্রীতিলতা বর্মনকে হবিগঞ্জের বাহুবলে, ফরিদপুরের নগরকান্দার ইউএনও মেহরাজ শারবীনকে নেত্রকোনার কলমাকান্দায়, নেত্রকোনার কলমাকান্দার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এবং ভোলার চরফ্যাশনের ইউএনও মো. লোকমান হোসেনকে বরগুনার পাথরঘাটার ইউএনও করা হয়েছে।
আদেশ বলা হয়েছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে ন্যস্তকৃত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর-১৮৯৮’ এর সেকশন ১৪৪ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। এছাড়া বদলি করা কর্মকর্তাদের আজকের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে ওই তারিখের অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।



















