তাইওয়ানের চারপাশে চীনের ধারাবাহিক সামরিক মহড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই মহড়া “অবরোধের অনুশীলন” হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে, এবং বেইজিংকে উত্তেজনা না বাড়াতে ও সংযম দেখাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক তৎপরতা ও আগ্রাসী ভাষা ‘অপ্রয়োজনীয়ভাবে’ আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে। দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, “তাইওয়ান এবং অঞ্চলটির অন্যান্য দেশের প্রতি চীনের সামরিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য অকারণে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। আমরা বেইজিংকে সংযম দেখাতে, তাইওয়ানের ওপর সামরিক চাপ বন্ধ করতে এবং অর্থবহ সংলাপে অংশ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং বলপ্রয়োগ বা চাপের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থার একতরফা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, যুদ্ধবিমান ও নৌযান মোতায়েন করে তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়ার অনুশীলন চালায়। বেইজিং-এর দাবি, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তারা দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
একই সঙ্গে, গত বুধবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পাড়ের চীনারা রক্তের বন্ধন ও আত্মীয়তার সম্পর্কে আবদ্ধ। আমাদের মাতৃভূমির পুনঃএকত্রীকরণ সময়ের দাবি, এটি কেউ ঠেকাতে পারবে না।”
যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া ও উত্তেজনার পরিস্থিতি নজরদারি করছে, এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কূটনৈতিক চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা