ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ৩:৪০ পূর্বাহ্ন

বিশ্বরেকর্ড গড়ে বছর শেষ করলেন মিচেল স্টার্ক

ম্যাচটি জিততে না পারলেও মেলবোর্নের বোলিং সহায়ক উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে অ্যাশেজ সিরিজে ব্যবধান কমিয়েছে ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্টে জয়ের মাধ্যমে সিরিজ ৩–১ এ নামিয়ে আনলেও আগেই সিরিজ নিশ্চিত করে রেখেছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। শনিবার (দ্বিতীয় দিনেই) ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়। তবে এই টেস্ট অস্ট্রেলিয়ার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে মিচেল স্টার্কের এক অনন্য বিশ্বরেকর্ডের কারণে।

চলতি পঞ্জিকাবর্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের পাশাপাশি ন্যূনতম ৫০ উইকেট পাওয়া বোলারদের মধ্যে এক বছরে সর্বনিম্ন স্ট্রাইকরেটের বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই অজি পেসার। চলমান অ্যাশেজে আরেকটি ম্যাচ বাকি থাকলেও ৪ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া সিডনি টেস্ট পড়ছে নতুন বছরে। ফলে ২০২৫ সালের টেস্ট অধ্যায় এখানেই শেষ হয়েছে ইংল্যান্ড–অস্ট্রেলিয়ার জন্য।

৩৫ বছর বয়সী স্টার্ক ২০২৫ সালে লাল বলের ক্রিকেটে নিয়েছেন ৫৫ উইকেট। এতদিন এক পঞ্জিকা বর্ষে টেস্টে ৫৫ উইকেট নিয়ে ৩০-এর নিচে (২৯.৫) স্ট্রাইকরেট ধরে রাখার কীর্তি ছিল কেবল পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিসের। ১৯৯৩ সালে গড়া সেই রেকর্ড ৩২ বছর পর ভাঙলেন স্টার্ক, যিনি একই সংখ্যক উইকেট শিকার করেছেন ২৮.৩ স্ট্রাইকরেটে।

যদিও ম্যাচসংখ্যার হিসেবে পার্থক্য রয়েছে—স্টার্ক ১১ টেস্টে এই কীর্তি গড়েছেন, আর ওয়াকার ইউনিস ৭ টেস্টেই ৫৫ উইকেট নিয়েছিলেন। তবে এক পঞ্জিকা বর্ষে টেস্টে সর্বাধিক উইকেট শিকারের তালিকায় স্টার্ক আরও অনেকের পেছনে। ওই তালিকায় শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন, যিনি ২০০৫ সালে ১৫ টেস্টে নিয়েছিলেন ৯৬ উইকেট। পরের বছর শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরন ১১ টেস্টে শিকার করেন ৯০ উইকেট।

এ ছাড়া এক পঞ্জিকা বর্ষে ৮০ বা তার বেশি টেস্ট উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ডেনিস লি (৮৫), দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যালান ডোনাল্ড (৮০) এবং মুরালিধরনের (৮০)। তবুও স্ট্রাইকরেটের বিচারে ২০২৫ সালটি নিঃসন্দেহে মিচেল স্টার্কের জন্য ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিল।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ