সম্প্রতি পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বেশিরভাগ দুর্বল কোম্পানি। সপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে আইটি রয়েছে ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি। এসব কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে লোকসান গুনছে।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পরযালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রিজেন্ট টেক্সটাইল, নুরানী ডাইং, এপোলো ইস্পাত, ফ্যাস ফিন্যান্স, ফরচুন সুজ, খুলনা প্রিন্টিং, রিংশাইন টেক্সটাইল ও দ্য পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড।
রিজেন্ট টেক্সটাইল
সপ্তাহের ব্যবধানে রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার দর বেড়েছে ৪৪.৪৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ২ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২০ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
নুরানী ডাইং
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩৫.২৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ৭০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ২ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২১ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
এপোলো ইস্পাত
সপ্তাহের ব্যবধানে এপোলো ইস্পাতের শেয়ার দর বেড়েছে ৩৩. ৩৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ২ টাকা ৪০ পয়সা দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে কোম্পানিটি ৪ হাজার ৯৩২ কোটি ২৭ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে।
২০১৯ সাল থেকে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়না।
ফ্যাস ফাইন্যান্স
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮.৪৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ০৯ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে ফ্যাস ফইন্যান্সের ফাইন্যান্সের ২ হাজার ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০১৯ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।
ফরচুন সুজ
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৭.৮৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১২ টাকা ২০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১৫ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নামমাত্র দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
খুলনা প্রিন্টিং
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৭.১৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১২ টাকা ৯০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১৬ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে ৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০২১ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।
রিং শাইন টেক্সটাইল
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ ২ টাকা ৮০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ৩ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে কোম্পানিটি ৯০২ কোটি ১৭ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০২০ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।
দ্য পেনিনসুলা
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৪.৬৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৪ টাকা ৬০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১৮ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।
বিজনেস আই/