ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ন

’জেড’ ক্যাটাগরির ১০ শেয়ারে ভরসা বিনিয়োগকারীদের

সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচক উত্থানে ফিরলেও বিনিয়োগকারীরা ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারে আস্থা খুঁজে নিয়েছে। গত সপ্তাহে টপটেন গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ’জেড’ ক্যাটাগরির ১০ দুর্বল কোম্পানি। এসব কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে লোকসান গুনছে।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পরযালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হচ্ছে- খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফিন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস, বিআইএফসি, ন্যাশনাল ব্যাংক, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ফিন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস, ম্যাকসন্স স্পিনিং, নূরানি ডাইং ও হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড।

খুলনা প্রিন্টিং

সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫১.৭৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১২ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

২০২১ সাল থেকে কোম্পানিটি কোন লভ্যাংশ দেয়না। ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির ৮৬ কোটি ৬৬ লাখ পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে  ৫০.৬৮ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল দশমিক ৭৩ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ১০ পয়সা  দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে কোম্পানিটির ৪ হাজার ৯৩১ কোটি ৩১ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০১৯ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।

বিআইএফসি

সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ২ টাকা ; যা গত সপ্তাহে ৩ টাকা দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে কোম্পানিটির ১ হাজার ১৭৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০১৪ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।

ন্যাশনাল ব্যাংক

সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ২ টাকা ২০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ৩ টাকা ৩০ পয়সা দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে কোম্পানিটির ২ হাজার ৮৫১ কোটি ৪ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০২১ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।

ফারইস্ট ফাইন্যান্স

সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল  ৬২ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ৯৩ পয়সা দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে কোম্পানিটির ৯৯২ কোটি ১৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি ২০১৭ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।

এছাড়া ‘জেড’ ক্যাটাগরির ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৪৭.৩৭ শতাংশ,পিপলস লিজিংয়ের ৪৬.৭৭ শতাংশ,ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের ৪৬.১৫ শতাংশ, নুরানী ডাইংয়ের ৪১.৬৭ শতাংশ ও হামিদ ফেব্রিক্সের ৪০ শতাংশ দর বেড়েছে।

বিজনেস আই/

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ