সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের বড় পতন ছিল। তবে এই পতনেও চমক দেখিয়েছে এ ক্যাটাগরির শেয়ার। আলোচ্য সপ্তাহে টপটেন গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বেশিরভাগ ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি। দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার ১০ কোম্পানির মধ্যে ৮টিই রয়েছে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পরযালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হচ্ছে- আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, রানার অটো, এপেক্স স্পিনিং, ইবনে সিনা, শাহজিবাজার পাওয়ার, আইবিবিএল বন্ড, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ডরিন পাওয়ার অ্যান্ড জেনারেশন লিমিটেড।
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১০.৬৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৩ টাকা ১০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১৪ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে। ’এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০২৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
রানার অটো
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৬.৪৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ৩৪ টাকা ২০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ৩৬ টাকা ৪০ পয়সা দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
এপেক্স স্পিনিং
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৪.৬২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৩০ টাকা ; যা গত সপ্তাহে ১৩৬ টাকা দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ধারাবাহিকভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে। ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।
ইবনে সিনা
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ২৮৫ টাকা ৭০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ২৯৬ টাকা ৪০ পয়সা দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ধারাবাহিকভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে। ২০২৫ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ৬৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
এছাড়া ‘এ’ ক্যাটাগরির শাহজিবাজার পাওয়ারের ৩.৪৯ শতাংশ, আইবিবিএল বন্ডের ২.৪১ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ২.৪১ শতাংশ ও ডরিন পাওয়ারের ২.৩০ শতাংশ দর বেড়েছে
বিজনেস আই/


















