পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জেলা ও দায়রা জজ ভবনের সামনে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সংকটাপন্ন এবং সাম্প্রতিক অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। ইসলামাবাদে গত এক দশকে এটি প্রথম বড় হামলা যেখানে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী আদালতের বাইরে নিজেও নিহত হয়। হামলার উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করা। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষেও বড় ধরণের তৎপরতা দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল একক হামলা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের অংশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ইসলামাবাদের আদালত এলাকায় হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। একই দিনে দেশের একটি সামরিক স্কুলেও পৃথক হামলা ঘটে, যেখানে তিনজন নিহত এবং শতাধিক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা আহত হয়। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী অবিলম্বে এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এই হামলার পর দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্কতা অবলম্বন করেছে। ইসলামাবাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ এবং বিপুল পরিমাণ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই হামলাকে কঠোরভাবে নিন্দা করেছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তথ্যসূত্র : রয়টার্স



















