পাকিস্তানের আফগানিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী একটি তীব্র সামরিক অভিযান চালিয়ে ৩০ জঙ্গিকে হত্যা করার দাবি করেছে। এই ঘটনার পর দেশটির সামরিক বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক বহরের ওপর হামলা চালানো সন্ত্রাসীদের নির্যাতন করা।
মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ার ওরাকজাই জেলায় পাকিস্তানি সামরিক বহরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এই হামলায় ৯ সেনা ও দুই কর্মকর্তা নিহত হন। হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি), যারা পরে এই হামলার দায় স্বীকার করে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানের মাধ্যমে হামলায় জড়িত ৩০ সদস্যকে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার জবাব দেওয়া।
পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ওরাকজাইয়ের জামালা মায়া এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে তীব্র গুলি বিনিময়ের পর সন্ত্রাসী হামলাটিতে জড়িত ভারতীয় মদদপুষ্ট ৩০ খারিজি (জঙ্গি) সবাইকে ধ্বংস করা হয়েছে।” অভিযান চলাকালে পাকিস্তানি বাহিনীর নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়।
মে মাসে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, ভারত ও পাকিস্তান, কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়ায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জোর দিয়েছেন, এই অভিযান দেশের সুরক্ষা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তথ্যসূত্র : দ্য ডন