সম্প্রতি পুঁজিবাজারে দুর্বল কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বেশিরভাগ দুর্বল কোম্পানি। সপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ছয়টি রয়েছে ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি। এসব কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে লোকসান গুনছে।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পরযালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হচ্ছে- গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, পিপলস লিজিং ফিন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ও ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড।
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
সপ্তাহের ব্যবধানে ব্যাংকটির শেয়ার দর বেড়েছে ২০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে। বর্তমানে কোম্পানিটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩ হাজার ১৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০২৩ ও ২০২৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
ইউনিয়ন ব্যাংক
সপ্তাহের ব্যবধানে ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ার দর বেড়েছে ১৮.৭৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৩ ও ২০২৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি।
পিপলস লিজিং
সপ্তাহের ব্যবধানে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার দর বেড়েছে ১৮.১৮ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ১০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ৩০ পয়সা দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে কোম্পানিটি ৪ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে।
দীর্ঘদিন কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়না।
ফার্স্ট ফাইন্যান্স
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৭.৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ২ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৫৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।
ফারইস্ট ফাইন্যান্স
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৬.৬৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৯৯২ কোটি ১৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় না।
ন্যাশনাল ফিড
সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৬.১৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ৯ টাকা ৯০ পয়সা ; যা গত সপ্তাহে ১১ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৩ ও ২০২৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয় নি।