যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের প্রায় ৯ মাস পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না বরং ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্রদের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।
গত জানুয়ারিতে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর ৯ মাস ধরে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেবে না এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি অগ্রাধিকার পাবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে তিনি প্রথমবারের মতো অনুমোদন দিয়েছেন যে, ইউক্রেনে দু’টি অস্ত্রের চালান পাঠানো হবে। প্রত্যেক চালানের মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার এবং এতে থাকবে বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্রদের মাধ্যমে যেসব অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে তা নিশ্চিত করা, যেখানে মিত্ররাই চালানের খরচ বহন করবেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কোেলবি ইতোমধ্যে অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। নতুন সমঝোতার আওতায়, যা ‘প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকোয়্যার লিস্ট (PARL)’ নামে পরিচিত, ইউক্রেনে মোট এক হাজার কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম চালানে পাঠানো অস্ত্রের মধ্যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও রয়েছে, যা রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সাহায্য করবে।
এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনে সরাসরি মার্কিন সামরিক সহায়তা স্থগিত রেখেছে। পূর্বের চালানগুলো অনুমোদন দিয়েছিল সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। ইউক্রেনে পাঠানো অস্ত্রের তালিকা যাচাই করা হচ্ছে এবং মার্কিন নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ অস্ত্রগুলোই কেবল পাঠানো হবে। কিয়েভের ইউরোপীয় মিত্ররা এই ফরমায়েশ দিয়েছে এবং তালিকায় থাকা বিভিন্ন অস্ত্র প্রয়োজন অনুসারে পাঠানো হচ্ছে। তথ্যসূত্র : রয়টার্স