এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের দ্বিতীয় পলাতক স্ত্রী শাম্মি আখতার ও মেয়ে ফারজানা আখতার ইপশিতাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলে আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবেদন পাওয়ার পর ফ্রান্সে অবস্থিত ইন্টারপোল সদর দপ্তরে রেড নোটিশ জারির জন্য ই-মেইল পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (এনসিবি) আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আদালত, প্রসিকিউশন অথবা তদন্ত সংস্থার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিবি ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন করে থাকে। সেই অনুযায়ী আবেদন করা হয়েছে।
মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে অন্তত চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মতিউর ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেলহাজতে আছেন। তবে দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মি আখতার, মেয়ে ফারজানা রহমান ইপশিতা ও ছেলে তৌফিকুর রহমান পলাতক। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ফারজানা রহমান ইপশিতা ও তৌফিকুর রহমান বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন।
সূত্র আরও জানায়, ঘটনার পর শাম্মি আখতার ছেলেকে নিয়ে মালয়েশিয়া চলে যান। পরে মতিউর ও প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ দেশে আত্মগোপনে থাকলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হন। তবে শাম্মি আখতার এখনও অধরা।
অন্য সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে শাম্মি আখতার কখনো মালয়েশিয়া, কখনো ভারতে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে জুম মিটিং করে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন।
দুদক ও পুলিশ যৌথভাবে তাকে দেশে ফেরাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই এ বিষয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে এবং ইন্টারপোলে আবেদনও করা হয়েছে।