ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ন

ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তুরস্ক, বহু ভবন ধসে পড়েছে

তুরস্ক আবারও কেঁপে উঠল এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে ৬.১ মাত্রার এই কম্পন মুহূর্তেই বহু ভবন ধস এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বালিকেসির প্রদেশের সিন্দিরগি শহর, যা ইস্তাম্বুল থেকেও অনুভূত হয়। প্রাণহানি তুলনামূলক কম হলেও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট—ভূমিকম্পের ধাক্কায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে একাধিক স্থাপনা। সোমবার (১১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

রোববার (১০ আগস্ট)স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার এই কম্পনের ফলে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। তুরস্ক তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। সাম্প্রতিক এই কম্পনও সেই ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকিরই আরেক প্রমাণ। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিন্দিরগি শহরে, যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় ৮১ বছর বয়সী এক নারীকে, তবে পরে তিনি মারা যান। কমপক্ষে ১৬টি ভবন ধসে গেছে এবং অন্তত ২৯ জন আহত হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কম্পন ইস্তাম্বুল পর্যন্ত অনুভূত হয়। সিন্দিরগি থেকে পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে, বহু ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং জানান, উদ্ধার কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আল্লাহ আমাদের দেশকে সব ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুন।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে এবং আর গুরুতর ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই।Fashion trends

তুরস্কে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭.৮ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কে ৫০ হাজারের বেশি ও সিরিয়ায় আরও ৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। এখনও সেই ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে পারেনি বহু মানুষ। এবারও প্রমাণ হলো, তুরস্কের ভূমিকম্প-ঝুঁকি এখনও ভয়াবহ রকম সক্রিয়। তথ্যসূত্র : বিবিসি

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ