পাশ্ববর্তী দেশে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবছরই কোরবানির পশুর চামড়া পাচারের চেষ্টা হয়; তবে বিজিবির সতর্কতায় পাচার বহু অংশে রোধ হয়েছে।
শনিবার সকাল সাতটায় ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শুরু হয় পশু কোরবানি। গরু-ছাগলের পাশাপাশি অনেকে মহিষ ও উট কোরবানি করেন।
একইদিন বিকালে বিজিবি সদরদপ্তর থেকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা বিধান ও দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। তাছাড়া সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন প্রতিরোধেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। এর ধারাবাহিকতায় ঈদের দিনেও বিজিবি সদস্যরা ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে সীমান্তে কঠোর নজরদারি ও টহল তৎপরতা জোরদার করে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছে।’



















