পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে হঠাৎ করেই শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি। দুর্যোগে ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন এবং আহত আরও ৯২ জনের বেশি। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঘরবাড়ি ধসে পড়া ও বজ্রপাতে নিহত সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এমন ভয়াবহতায় সাধারণ মানুষ আবারও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রোববার (২৫ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি গ্লোবাল।
শুক্রবার (২৪ মে) থেকে শুরু হওয়া তীব্র ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধসে পড়ায় প্রাণ হারিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। স্থানীয় একটি কারখানার ছাদ ঝড়ো বাতাসে ভেঙে পড়লে মারা যান এক শ্রমিক এবং আহত হন আরও পাঁচজন। একজন ব্যক্তি বজ্রপাতে প্রাণ হারান বলে নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের সরকারি টেলিভিশন। এমন পরিস্থিতির আগেই পাঞ্জাবের প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) সতর্কবার্তা দিয়েছিল, যেখানে বলা হয় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ।
স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্যোগের কারণে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি, পুরোনো দালান ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জনগণকে বাইরে অপ্রয়োজনে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তথ্যসূত্র : টিআরটি গ্লোবাল, দ্য ডন