১০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার সুপারিশ করেছে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন। পাশাপাশি এনআইডি কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনে নেওয়ার আইন বাতিলের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
মূল সুপারিশসমূহ:
এনআইডি কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ:
– জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০২৩ বাতিল করে এনআইডি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনে পুনর্বহাল।
১০ বছরের বেশি বয়সীদের এনআইডি:
– বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য এনআইডি প্রদান করা হয়। এটি ১০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ডিজিটাল এনআইডি সিস্টেম:
– এনআইডিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তরের প্রস্তাব, যেখানে Self-sovereign Identity (SSI)-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার হবে।
গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ:
– এনআইডি ডাটাবেজ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইন প্রণয়ন।
স্বতন্ত্র সংস্থা গঠন:
– এনআইডি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন সংস্থা গঠন করার সুপারিশ।
তথ্য ফাঁস প্রতিরোধে ব্যবস্থা:
সাম্প্রতিক সময়ে এনআইডি তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
প্রস্তাবিত আধুনিক আইডেন্টিটি সিস্টেম বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনআইডি ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব, নিরাপদ ও আধুনিক করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।