লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতবাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে ঘুমন্ত দাদী ও নাতি ট্রাকের নিচে আটকা পড়েন। ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় দেড় ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করা হয় তিন বছরের শিশু আবদুল্লাহকে। তবে, দাদী নুরি বেগমকে চার ঘণ্টা পর মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে, হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের বটতলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগর হোসেন ও তার স্ত্রী ঢাকায় থাকেন কাজের সুবাদে। মহাসড়কের পাশে টিনের একটি ঘরে থাকতেন সাগরের মা নুরি বেগম (৫৫) এবং তার তিন বছরের ছেলে আবদুল্লাহ। ভোররাতে একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ঘরের ওপর উঠে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজ শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশু আবদুল্লাহকে। কিন্তু নুরি বেগমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে সময় লাগে চার ঘণ্টা।
এ ঘটনায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে প্রায় কয়েক ঘণ্টা যানজট সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মুজিবুল আলম সাদাত এবং হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন নবী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, শিশু আবদুল্লাহকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দাদী নুরি বেগমের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা সড়ক নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।