বিপুল সমালোচনার মাঝে পুলিশের জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম একটি শক্তিশালী স্বাধীন ‘পুলিশ কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
আইজিপির প্রস্তাব অনুযায়ী, এই কমিশন পুলিশের শীর্ষস্থানীয় পদে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও পুলিশের কর্মকাণ্ড তদারকি করবে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে পদোন্নতি ও নিয়োগের পুরোনো সংস্কৃতি বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আইজিপি বাহারুল আলম সম্প্রতি পুলিশের সংস্কার কমিশনের কাছে এই খসড়া প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। কমিশনটির লক্ষ্য হবে পুলিশকে নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং জনস্বার্থে মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাখা। এছাড়া, কমিশন আইনের শাসন এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষায়ও কাজ করবে।
কমিশনে ১১ সদস্য থাকবে, যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান (অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বা আইজিপি), চারজন সংসদ সদস্য, চারজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এবং স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইজিপি পদাধিকারবলে সদস্য হবেন। কমিশনটি আইজিপি নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে তিনজন কর্মকর্তার প্যানেল সুপারিশ করবে।
আইজিপিকে অপসারণ করার ক্ষমতাও থাকবে কমিশনের কাছে, এবং কমিশন পুলিশের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করবে।
এছাড়া, প্রস্তাবিত কমিশন প্রয়োজন হলে জাতীয় জননিরাপত্তা নীতি এবং পুলিশ সম্পর্কিত আইনও প্রণয়ন করবে।