দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের নামে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশীদের প্রায় ৩শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট ও ভাঙচুর করছে স্থানীয় আন্দোলনকারীরা।ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা, মোজাম্বিক শহরের প্রবীণ ব্যবসায়ী,ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সহ-সভাপতি মাওলানা সামছুল হক আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, গত কয়েকদিনের সহিংসতায় দেশটির রাজধানী মাপুতো সিটি, সিমুই সিটি, বেইরা সিটি, নামপুলা সিটি, মুনফোলা, নাখালা,জাম্বিজিয়া,ইলিমান,বেয়ারাও মকুবা শহর সহ প্রায় সকল সিটি শহরে ইতিমধ্যে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে।
আন্দোলনকারীরা হরতাল অবরোধের পাশাপাশি বাংলাদেশীদের ৩শতাধিক দোকান, বাড়িঘর ও গোডাউন লুটপাট করে।সবচেয়ে বেশি লুটপাট ও ভাঙচুর হয়েছে নামাকুবা ও সিমুই শহরে ।
সেখানে অনেক বাংলাদেশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট করে সবকিছু নিয়ে গেছে আন্দোলনকারীরা। সেই সময় তারা এক বাংলাদেশির গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়।নামাকুবা শহরে গত সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে মোঃ মোস্তফা (৪৫) ও ইব্রাহিম (৪০) নামের দুই সহোদর। তারা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ ধর্মপুর গ্রামের মোহাম্মদ কাবিল ডাক্তার বাড়ীর বছন আলীর ছেলে। বর্তমানে তারা নামাগোরা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তারা লুটপাট করছে। বর্তমানে আন্দোলনকারীরা সিমুই শহরে অবস্থান নিয়েছে। মাওলানা সামছুল হক আরও বলেন, আমি বিগত ৩০ বছর যাবত ইলিমান ও মকুবা শহরে ব্যবসা করে আসছি।
এরকম হামলা ও লুটতরাজ আর কখনও দেখিনি।আমি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।যাতে করে জাতিসংঘের মাধ্যমে হোক কিংবা মোজাম্বিক সরকারের মাধ্যমে হোক আমাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।