নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর কাঁচাবাজারে শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মধ্যে। তবে চাল ও তেলের বাজারের অস্থিরতা এবং মাছের চড়া দামে সেই স্বস্তি অনেকটাই ম্লান হয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে বেগুন ৬০-৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৬০-৭০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা এবং টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়।
সবজি বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম আরও কমতে পারে। ক্রেতারা যদিও দাম কমার প্রশংসা করেছেন, তবে তাদের দাবি, শীতের তুলনায় দাম এখনও বেশি।
সবজির দাম কমলেও চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। মিনিকেট চাল ৭২-৭৫ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৮২ টাকা এবং নতুন আটাইশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৭ টাকায়।
তেলের বাজারেও অস্থিরতা বজায় রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ১৫৭ টাকার চেয়ে বেশি দামে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রি হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
মাছের বাজারে তেমন কোনো স্বস্তি নেই। প্রতি কেজি রুই ৩৮০-৪৫০ টাকা, কাতল ৪০০-৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা এবং দেশি কৈ ১,৩০০-১,৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এলাচের দাম কেজি প্রতি ৩,৮০০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া দারুচিনি ৫০০-৫৫০ টাকা, কালো গোলমরিচ ৯০০-১,০০০ টাকা এবং লবঙ্গ ১,৬০০-১,৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা ও বিক্রেতারা উভয়েই নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।