চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। আইসিসির ২০২৫ সালের এই বড় আসরটি পাকিস্তানে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হলেও, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে চরমে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানে টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিরোধিতা করে ‘হাইব্রিড মডেল’ প্রস্তাব করেছিল। এতে পাকিস্তান রাজি না হওয়ায়, এখন গোপনে অন্যান্য বোর্ডগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ ও আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমের দাবি, বিসিসিআই আর্থিক প্রণোদনা, আইসিসির আয়ের অংশ বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের অতিরিক্ত ম্যাচের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বোর্ডগুলোকে প্রভাবিত করছে। যদিও প্রকাশ্যে নিরাপত্তার ইস্যু তুলে ধরা হচ্ছে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ভারতের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। এমনকি ভারত অংশ না নিলে, অন্য একটি শক্তিশালী দলকে অন্তর্ভুক্ত করেই নির্ধারিত সূচিতে টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে তারা।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ট্রফি ট্যুর ইতোমধ্যে শুরু হলেও, ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত সূচি ঘোষণার আগেই এই বিরোধ নিরসনের চেষ্টা করছে আইসিসি। তারা বলছে, সদস্য বোর্ডগুলোর মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ৮ দলের এই টুর্নামেন্ট ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়ানোর কথা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ৯ মার্চ ফাইনাল হওয়ার কথা রয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড, আর ‘বি’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান খেলবে।
আইসিসির সিইও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আয়োজক দেশ হিসেবে পাকিস্তানেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ডের প্রভাব এড়ানো নিয়েই এখন উঠছে প্রশ্ন।