স্মার্ট হোম ডিভাইসের বৈশ্বিক বাজারে চলতি বছর দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
স্মার্ট হোম ডিভাইসের বৈশ্বিক বাজারে চলতি বছর দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। বছর শেষে এ বাজারের আকার ৮৯ কোটি ২৩ লাখ ইউনিটে পৌঁছতে পারে। প্রবৃদ্ধির এ গতিকে ‘শ্লথ’ আখ্যা দিয়ে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এরই মধ্যে বাসাবাড়িতে অধিক স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহার হচ্ছে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মতো অঞ্চলে গ্রাহকের পণ্য পরিবর্তনের হার কমে গেছে। ফলে মন্থর গতি তৈরি হয়েছে স্মার্ট হোম ডিভাইসের বাজারে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। খবর ব্যাকএন্ডনিউজ।
উদীয়মান বাজারগুলোয় আগামী বছর বেচাকেনা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইডিসি। ২০২৫ সালে স্মার্ট হোম ডিভাইসের সরবরাহ ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৯৩ কোটি ১১ লাখ ইউনিটে পৌঁছতে পারে।
ক্যামেরাযুক্ত দরজার তালার মতো হোম সিকিউরিটি ডিভাইস জনপ্রিয় হচ্ছে। বর্তমানে মোট সরবরাহের ২৫ শতাংশই এ ধরনের পণ্য।
আইডিসির মোবিলিটি ও কনজিউমার ডিভাইস ট্র্যাকার্সের গবেষণা ব্যবস্থাপক জিতেশ উবরানি বলেন, ‘স্মার্ট টিভি বা স্মার্ট স্পিকার ক্রয়ের তুলনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তাসংবলিত ক্যামেরা কেনার সুবিধা বেশি।’
অন্যদিকে স্মার্ট স্পিকারের বাজারের আকার চলতি বছর ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কমে যেতে পারে। আগামী বছর এর বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে। এ অবস্থায় গুগল ও অ্যামাজনের মতো কোম্পানিগুলো স্মার্ট স্পিকারে অতিরিক্ত ফিচার যুক্ত করার পরিবর্তে ভয়েস ইনপুট ফিচারে মনোযোগ দিচ্ছে।
এদিকে এআই প্রযুক্তির বিকাশে স্মার্ট ভ্যাকুয়ামের (স্বয়ংক্রিয় ঘর পরিষ্কার যন্ত্র) মতো ডিভাইসগুলো পরিবর্তন হচ্ছে। এ খাতের শীর্ষ কোম্পানি রোবোরক ও ইউফি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা আরো আরামদায়ক করতে এবং বাজারে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে অবজেক্ট রিকগনিশন ও মপিংয়ের মতো বৈশিষ্ট্যে বেশি জোর দিচ্ছে।
আইডিসি ২০২৮ সালের মধ্যে স্মার্ট হোম ডিভাইসের বাজারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বার্ষিক যৌগিক প্রবৃদ্ধির (সিএজিআর) পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের মতে, ওই বছর নাগাদ এ ধরনের পণ্যের শিপমেন্ট ১১০ কোটি ইউনিটে পৌঁছবে। নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি ও এআই প্রযুক্তির বিকাশ এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করবে।